ছোটোদের চাঁদের হাসি ডিজিটাল-এর জরুরি তথ্য ও যোগাযোগ সূত্র পাবেন এই পাতায়।
শ্রীনিবাস রামানুজন ছিলেন বিশ্বের অন্যতম প্রতিভাবান গণিতবিদ, যিনি গণিতের বহু জটিল ক্ষেত্রে যুগান্তকারী অবদান রেখে গেছেন। তাঁকে বলা হয় ‘গণিতের জাদুকর’।
ঠাকুমার কাছে শুনেছে, কোন এক মায়ামানুষ নাকি থাকে এই জঙ্গলে। সে যে কাউকে ভুলিয়ে নিয়ে যায় তার গুপ্ত ডেরায়। যারা যায় তারা আর ফেরে না। সেও হয়ে যায় এক মায়ামানুষ।
বাবা ভেবে বলল, “আসলে সান্তাক্লজদের তো খেতে নেই। সবাই ভাবে তারা দেবতা। তাই চুপি চুপি খাচ্ছে।” কিন্তু উত্তরটা মনে ধরল না পুপুর। তাই সে গোমড়া মুখ করে রইল। বাবা বোধহয় বুঝতে পারল কথাটা।
ছড়ায়-ছড়ায় আনন্দ-আয়োজন! ছোটোদের মনের মতো বিষয় আর মজাদার শব্দের ছন্দ-বন্ধনে সাজানো হয়েছে উপহারের ডালি।
আম বাঙালি কিন্তু প্রথম প্রথম সে বরফ খেত না, এড়িয়ে চলত। ভাবত, কী জানি বাবা কী আছে ওতে! কিন্তু ক্রমে ক্রমে তা গ্রহণ করছিল বাঙালিরাও।
ছোটোদের আঁকা রকমারি, বাহারি ছবিতে সেজে ওঠে ‘তোমাদের পাতা‘। ছবি ছাড়াও এই বিভাগে থাকছে ছোটোদের লেখা ছড়া ও গল্প।
হঠাৎই তার সারা শরীর বেয়ে একটা জোরালো স্বতঃস্ফূর্ত কাঁপুনি নেমে গেল–একটি সত্যিকারের আনন্দময় গভীর কাঁপুনি, যেমনটি সে আগে কখনো অনুভব করেনি।
সব নৌকার লোকজন জাহাজে উঠে গিয়েছে। শেষ দু'টো নৌকা আর জাহাজের গায়ে ভিড়তে পারছে না, ঢেউগুলো খুব অশান্ত। দু'টো নৌকা জাহাজের চারদিকে ঘুরপাক খেয়েই যাচ্ছে। ভয় তো একটু লাগছেই।