কৌতুক নকশা
শতাব্দী চট্টোপাধ্যায়

Teacher : Noun-এর বাংলা কি?
Student : বিশেষ্য।
Teacher : তাহলে pronoun?
Student : ওটা সর্বনাম।
Teacher : কী আশ্চর্য !!
Student : এটা interjection.
Teacher : পিটিয়ে লম্বা করে দেবো !!
Student : এটা ক্রিয়া।
Teacher : এমন জোরে মারবো না !!
Student : এটা adverb sir.
Teacher : বেয়াদপ ছেলে !!
Student : adjective হয়ে গেল sir !!
Teacher : ওরে হতভাগা, দূর হ এখান থেকে !! ডাইনে, বামে, উপরে, নিচে যেখানে খুশি, সেখানে চলে যা !!
Student : Sir, এটা preposition.
Teacher : মাথা খাবে দেখছি !! ওরে nonsense, আর বাকি রাখলি কী ??
Student : conjunction sir…conjunction !!!
Train ছেড়ে দিয়েছে...এমন সময় তিনজনকে train-এর দিকে দৌড়ে আসতে দেখে করিৎকর্মা guard টেনে-হিঁচড়ে তাদের মধ্যে থেকে দুজনকে তুলতে পেরেছে। কিন্ত train-এর speed বেড়ে যাওয়ায় বাকি একজনকে তুলতে পারেনি।
Guard : কী ব্যাপার ?? এত কষ্ট করে তিনজনকে না পারলেও, দুজনকে তো তুলেছি ! অথচ আপনারা একটুও ধন্যবাদ দিলেন না যে !!
লোক দুজন : ধন্যবাদ দিই কি করে ?? যাঁকে ফেলে এসেছেন, আসলে, উনিই তো যাত্রী ছিলেন !! আমরা তো ওনাকেই train-এ তুলতে এসেছিলাম !!
বিয়েবাড়িতে যখন পাতে মাংস পড়ল, তখন পাঁচুবাবুকে বসে থাকতে দেখে পাশের লোকটি জিজ্ঞেস করে জানতে পারলো, পাঁচুবাবু বাঁধানো দাঁত পরে আসতে ভুলে গেছেন! তখন পাশের সেই ভদ্রলোক pocket থেকে কয়েক জোড়া দাঁতের পাটি বের করে বললেন,”যেটা set হয় বেছে নিন।”
খাওয়া শেষ হলে পাঁচুবাবু তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়ে জিজ্ঞেস করলেন,”আপনি নিশ্চয়ই dentist?”
শুনে তিনি বললেন, “না না,আমি শ্মশানঘাটের caretaker–আমার কাছে এমন আরও কয়েক পাটি আছে !!”
বাংলা class চলছে…!
Madam : 'কপাল' শব্দ দিয়ে একটি বাক্য রচনা করো।
Student : কপাল আমার ভিজে গেল নয়নেরই জলে।
Madam : ওরে হতভাগা !! চোখের জলে কপাল ভিজলো কি করে ??
Student : (একটু ভেবে) পা-দুটি বাঁধা ছিল গাছের মগ-ডালে।
পাঠকদের মন্তব্য
250