বাংলার ছয়টি ঋতুর মধ্যে বর্ষা অন্যতম প্রধান ঋতু। আষাঢ়-শ্রাবণ–এই দুই মাস নিয়ে বর্ষাকাল। গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে শুকিয়ে যাওয়া প্রকৃতিতে প্রাণ ফেরাতে বর্ষার আগমন ঘটে।
ছড়ার ছন্দে নির্মল আনন্দের অবাধ আয়োজন! কত না বিষয়, কত রঙ-রস-বাহার! ছত্রে ছত্রে মুখর শব্দরা।
নীল পড়তে বসলেই যত রকমের অনাসৃষ্টি করবে। ওর আর দোষ কী? এটা কি পড়ার বয়স? এই তো সবে চারে পড়ল।
জাপানিদের মধ্যে ‘সামুরাই’ যারা ছিল, তারা ছিল ভয়ঙ্কর বীর। বীরত্বের জন্যে তারা করতে পারত না, এমন জিনিস নেই। অন্যের মাথা থেকে নিজের মাথা কিছুই কাটতে তাদের কোনো অসুবিধা হতো না। তেমনই এক পাগলা সামুরাইয়ের গল্প আজ তোমাদের শোনাবো।
ঐশীর খরগোশ মনের আনন্দে পুকুরপারে ঘাস খাচ্ছিল। এমন সময় ঋষির বেড়াল এসে খরগোশকে ঘাস খেতে দেখে বলল, কী রে তুই ঘাস খাচ্ছিস?
তোমরা সকলেই নিশ্চয়ই বাড়ির চারপাশে বা রাস্তাঘাটে নানা ধরনের গাছপালা দেখতে পাও। তাদের কারো কারো নাম তোমরা জানো, কারো হয়তো জানো না।
আজ সকালেই পৌঁছেছি কালিম্পং জেলার অন্তভূর্ক্ত পাহাড়ী গ্রাম চারকোলে। এখন সামনে গোধূলি আলোয় মায়াময় খোলা আকাশ। সেখানে দৃশ্যমান অস্তগামী সূর্য।
হাসি আর মজার নির্মল আয়োজন কৌতুক নকশায়। ছোটদের পাশাপাশি এই উপহার পেয়ে খুশি বড়রাও।
ছোটোদের আঁকা রংবাহারি ছবিতে সাজানো হয়েছে ‘তোমাদের পাতা‘। ছবি ছাড়াও এই বিভাগে থাকে ছোটোদের লেখা ছড়া ও গল্প।
ছোটোদের চাঁদের হাসি ডিজিটাল-এর জরুরি তথ্য ও যোগাযোগ সূত্র পাবেন এই পাতায়।