ছোট্টো বন্ধুরা, প্রকৃতির সঙ্গে একটু একটু করে পরিচয় ঘটছে তোমাদের। এই সময়টা যে পুরোপুরি বৈশাখী ঝড়ের কবলে চলে যায়, সেটা তোমরা সকলেই জানো। সারাদিন তপ্ত আর গুমোট আবহাওয়া, সন্ধে হলেই আকাশ ঢেকে ফেলে কালো-ধূসর মেঘের দল।
ছড়ায়-ছড়ায় আনন্দ-আয়োজন! ছোটোদের মনের মতো বিষয় আর মজাদার শব্দের ছন্দ-বন্ধনে সাজানো হয়েছে উপহারের ডালি।
একটা ছিল গল্প-বিড়াল গল্প ঝুড়ি খুলে/বসত সরোবরের পাড়ে জগতটাকে ভুলে!/ছন্দ দিয়ে শব্দ জুড়ে বলত সুর করে/এসেছে নাকি দেশ-বিদেশের নানান বই পড়ে! এবার তবে শুরু করা যাক সেই গল্প-বিড়ালের কাহিনি।
সবেমাত্র প্রাক-ইস্টার পর্ব শেষ হয়েছে। বরফের চাঁই ভাঙার কাজও সবে শেষ হয়েছে। উঠোনে তখনও কিছু তুষার ছড়িয়ে আছে। গ্রামের পথে জল গড়িয়ে চলেছে।
নরেন্দ্রনাথ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ক্লাস-রুমটা ভীষণ চঞ্চল। কেউ গল্প বলে, কেউ হাসে, কেউ দুষ্টুমি করে, কেউ জানালার বাইরে আনমনে তাকিয়ে থাকে…! এই ক্লাসেই পড়ে কুশল। সে ক্লাসের অন্যান্যদের থেকে একটু আলাদা।
তোমরা সবাই নিশ্চয়ই সচিন তেন্ডুলকরের নাম জানো! ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র তিনি। তাঁর জীবনী শুধু একজন মহান খেলোয়াড়ের গল্প নয়, বরং কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য ও স্বপ্ন পূরণের অনুপ্রেরণামূলক কাহিনি।
আচ্ছা, বলো তো সব সময় আগাম প্ল্যান করে হিসেব মতো ঘোরাঘুরি ভালো লাগে ? ছোট্টো বন্ধুরা, আমার কিন্তু মাঝে মাঝে এলোমেলো বেড়াতে মন্দ লাগে না !
ছোটোদের আঁকা রংবাহারি ছবিতে সাজানো হয়েছে ‘তোমাদের পাতা‘। ছবি ছাড়াও এই বিভাগে থাকে ছোটোদের লেখা ছড়া ও গল্প।
ছোটোদের চাঁদের হাসি ডিজিটাল-এর জরুরি তথ্য ও যোগাযোগ সূত্র পাবেন এই পাতায়।