ছোট্ট বন্ধুরা, তোমাদের প্রিয় ‘ছোটোদের চাঁদের হাসি ডিজিটাল‘ এই নভেম্বরে পা দিলো চতুর্থ বর্ষে। ২০২৩-এর নভেম্বর থেকে ২০২৬-এর নভেম্বর—তোমাদের নিয়েই আমাদের গত তিন বছরের পথ চলা।
ছড়ার ছন্দে নির্মল আনন্দের অবাধ আয়োজন! কত না বিষয়, কত রঙ-রস-বাহার! ছত্রে ছত্রে মুখর শব্দরা।
বাড়ি ফিরে মায়ের তাড়ায় কোনোরকমে স্নানটা সেরেই পড়ার টেবিলে ডায়েরি খুলে লিখতে বসল মুনু। তার বাবা সুহাস তাকে ডায়েরি লেখা অভ্যাস করিয়েছে।
প্রকৃতি বিজ্ঞানের বইতে লেখা আছে নদী-নালা, খাল-বিল-পুকুর–আর অন্যসব জলাশয় যেমন, সাগর-হ্রদ প্রভৃতির জল সূর্যের তাপে বাষ্প হয়ে উপরে উঠে ঠান্ডা বাতাসের সঙ্গে মিশে মেঘ হয়ে ভেসে বেড়ায়।
সেদিন ভোরে ঘুম ভাঙতেই সপ্তম শ্রেণির খোকা জানলার কাছে ছুটে গেল। আকাশটা কেমন মলিন। পাখিরা আজ যেন গান গাইতে ভুলে গেছে। বাতাসেও নেই সেই চেনা মিষ্টি গন্ধ।
ছোট্ট বন্ধুরা, তোমরা কি সাপের খেলা দেখেছ? তোমরা কি জানো সাপুড়েরা কীভাবে বাঁশি বাজায়? আমরা দেখি, সাপুড়েরা সাপের সামনে বসে বাঁশি বাজাচ্ছে।
ছোট্ট বন্ধুরা, তোমাদের মধ্যে অনেকেই এরমধ্যে দার্জিলিং দেখে ফেলেছ জানি। কেউ কেউ হয়তো কয়েকবারই ঘুরে এসেছ।
হাসি আর মজার নির্মল আয়োজন কৌতুক নকশায়। ছোটদের পাশাপাশি এই উপহার পেয়ে খুশি বড়রাও।
ছোটোদের আঁকা রংবাহারি ছবিতে সাজানো হয়েছে ‘তোমাদের পাতা‘। ছবি ছাড়াও এই বিভাগে থাকে ছোটোদের লেখা ছড়া ও গল্প।
ছোটোদের চাঁদের হাসি ডিজিটাল-এর জরুরি তথ্য ও যোগাযোগ সূত্র পাবেন এই পাতায়।