ছোটোদের চাঁদের হাসি ডিজিটাল-এর জরুরি তথ্য ও যোগাযোগ সূত্র পাবেন এই পাতায়।
হেমন্তকালেই গ্রাম-গঞ্জে অনুষ্ঠিত হয় নবান্ন–কৃষকের ঘরে নতুন ফসল ওঠার আনন্দের উৎসব। দিন ছোট হয়, রাত বাড়ে। প্রকৃতি ধীরে ধীরে শীতের আগমনের বার্তা দেয়।
কিন্তু আজ কেমন যেন ফাঁকা ফাঁকা লাগছে । ওই কচ্ছপগুলোও তো ওদের মাকে পায়। মাছেরা ওদের মা-বাবা-ভাই-বোনদের সঙ্গে খেলা করে। ইস ও যদি মাছ হতো, তাহলে ওর খাবার অভাব হতো না। জলে জলে ভেসে বেড়াতো।
বাবা, মা–দু’জনেই চলে এলো। বাবা বলল, “আমি ডাক্তারবাবুর সঙ্গে কথা বলেছি। তিতলি তুমি যে বুদ্ধি করে ঠাকুরমাকে জলপট্টি দিয়েছ এটা খুব কাজে লেগেছে।” কথাটা বলতেই ঠাকুরমার মুখে সামান্য হাসি ফুটে উঠল।
ছড়ায়-ছড়ায় আনন্দ-আয়োজন! ছোটোদের মনের মতো বিষয় আর মজাদার শব্দের ছন্দ-বন্ধনে সাজানো হয়েছে উপহারের ডালি।
এভাবেই জন্ম হলো সংলাপ বা ডায়ালগের। এই অভিনয়ের প্রথম শিল্পীর নাম ছিল থেসপিস। তাই তাঁকে বলা হয় পৃথিবীর প্রথম অভিনেতা।
ছোটোদের আঁকা রকমারি, বাহারি ছবিতে সেজে ওঠে ‘তোমাদের পাতা‘। ছবি ছাড়াও এই বিভাগে থাকছে ছোটোদের লেখা ছড়া ও গল্প।
আমি শুধু জানতাম তার নাম কোকি, আর সে এসেছে তার মাসির সঙ্গে গ্রীষ্মের ছুটি কাটাতে। আর কিছু শুধোইনি তাকে, সেও আমাকে কিছু।
আমাকে যদি সে শুধোতও কিছু, নিজের সম্পর্কে চটকদার তেমন কিছু বলারও ছিল না আমার।
ইছামতী নদীই ভারত ও বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত নির্ধারণ করে। তাই নদীই টাকির প্রধান আকর্ষণ। নৌভ্রমণের সুযোগ থাকলেও, বর্ষার কারণে আমরা সেটি এড়িয়ে গিয়েছিলাম।